নেত্রকোনা সদর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলাটি করেন।

Dr. Infrared Heater Portable Space Heater - Specifications

Heating Method Radiant
Dimension 13 x 12.5 x 17 inches
Weight 19 lbs
Max Wattage 1500W

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রিপন মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। মামলার খবর চাউর হওয়ার পর এলাকায় নতুন করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আসামি গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

Dr. Infrared Heater Portable Space Heater (9.2/10)

Dr. Infrared Heater Portable Space Heater

Brand: Dr. Infrared

Pricing: Paid

See Prices

Specifications

Heating Method Radiant
Dimension 13 x 12.5 x 17 inches
Weight 19 lbs
Max Wattage 1500W

Pros & Cons

Pros
  • 12-hour self-timer feature
  • Fast heating when run on high mode
  • Has special tip-over protection feature to prevent severe damage
  • Easily fits into smaller bedrooms
  • Infrared quartz tube added dual heating medium
Cons
  • Remote available with purchase is not so durable

নেত্রকোনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ও মামলার বিবরণ

PELONIS Oil Filled Radiator Heater

Rating: 9.2/10

See Price

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের একটি গ্রামে গত সপ্তাহে এক স্কুলছাত্রী বাড়িতে একা থাকার সুযোগে ধর্ষণের শিকার হয়। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্ত রিপন মিয়া বেশ কিছুদিন ধরে ওই কিশোরীকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। ঘটনার দিন কিশোরীর মা-বাবা বাড়িতে না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত রিপন মিয়া জোরপূর্বক তাকে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালান। কিশোরীর আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে ভুক্তভোগী পরিবার নেত্রকোনা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ প্রদান করে। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, ভুক্তভোগীর বাবার দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে রিপন মিয়াকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার পরই পুলিশ তদন্ত কাজ শুরু করেছে এবং শারীরিক পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পটভূমি ও এজাহারের তথ্য

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভিডিও কনটেন্ট বানানোর কথা বলে অভিযুক্ত রিপন মিয়া স্থানীয় ওই কিশোরীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলার চেষ্টা করতেন। কিশোরীর পরিবার অতি সাধারণ হওয়ায় এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার ভয়ে বিষয়টি শুরুতে চেপে রাখার চেষ্টা করেছিল। তবে নির্যাতনের মাত্রা অতিক্রম করায় তারা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। ভুক্তভোগী পরিবার অবিলম্বে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছে ।

অভিযুক্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার আত্মগোপন ও পুলিশি অভিযান

সামাজিক মাধ্যমে 'রিপন ভিডিও' নামে পরিচিত রিপন মিয়া মূলত সংলাপনির্ভর কৌতুকপূর্ণ ভিডিও বানিয়ে পরিচিতি অর্জন করেন। ফেসবুকে তার বিপুল সংখ্যক ফলোয়ার রয়েছে। মামলা দায়েরের বিষয়টি টের পেয়ে তিনি নিজের বাসভবন ছেড়ে আত্মগোপন করেন। তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন ও দাবির বিপরীতে রিপন মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগটি ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করা হয়েছে ।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি যাতে এলাকা ছেড়ে অন্য কোথাও পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ সদর উপজেলার বিভিন্ন সম্ভাব্য আস্তানায় তল্লাশি চালায়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে আসামির বর্তমান অবস্থান চিহ্নিত করার কাজ চলছে এবং যেকোনো সময় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

আইনি প্রক্রিয়া ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

এদিকে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার পর থেকেই স্থানীয় এক সালিশি দরবার ঘিরেও নতুন তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি থানায় পৌঁছানোর আগে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী মাতব্বর বিষয়টি গোপন রেখে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন। সেই সালিশে অভিযুক্ত রিপন মিয়াকে আর্থিক জরিমানা এবং গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে সামাজিক মাধ্যমে কিছু ভিডিও ও তথ্য প্রকাশ পায়।

তবে পুলিশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধের ঘটনায় কোনো ধরনের সালিশ বা বেআইনি মীমাংসার সুযোগ নেই। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল খায়ের বলেন, সালিশে যারা উপস্থিত ছিলেন এবং আইনি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করেছিলেন, তাদের সবাইকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে। তদন্তের স্বার্থে সালিশকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে এবং প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী ও সচেতন মহল ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তারা অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে প্রচলিত আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ অপরাধ করে পার পাওয়ার বা সালিশের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার সাহস না পায়।

বর্তমানে নির্যাতিত স্কুলছাত্রী চিকিৎসা ও আইনি সুরক্ষায় রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কাজ দ্রুত শেষ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে ।